প্রকাশিত:
২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

তীব্র শীতকালীন তুষারঝড় ও বরফবৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর জনজীবন। তিন বছরের মধ্যে, সবচেয়ে বেশি তুষারপাতের কবলে পড়েছে নিউ ইয়র্কের বাসিন্দারা। বিশেষ করে নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি এবং কানেকটিকাটের বিস্তীর্ণ এলাকা কয়েক ইঞ্চি পুরু বরফের নিচে চাপা পড়ায় সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কায় লাখো মানুষকে চরম সতর্কতায় থাকতে বলেছে স্থানীয় প্রশাসন।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া বিভাগ (ঘডঝ) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া এই তুষারপাত শনিবার ভোর পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। নিউ ইয়র্ক এর পাওলিং ও ওলকট এলাকায় ইতোমধ্যে ৭ ইঞ্চি তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে। কানেকটিকাট ওয়াটারবারিতে তুষারের উচ্চতা পৌঁছেছে সাড়ে ৬ ইঞ্চিতে। এছাড়াও মিড-হাডসন ও লং আইল্যান্ড এলাকায় বরফের স্তর ১২ ইঞ্চি (১ ফুট) পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
নিউ ইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোচুল অঙ্গরাজ্যের অর্ধেকেরও বেশি এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। এই ঘোষণা নিউ ইয়র্ক সিটির পাঁচটি বরোসহ মোট ৩৬টি কাউন্টিতে কার্যকর থাকবে। গভর্নর জানিয়েছেন, উদ্ধারকারী দলগুলো নিরবিচ্ছিন্নভাবে বরফ সরানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, তবে তুষারপাত অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হচ্ছে।
এছাড়াও চলমান তুষারঝড়ের কারণে বিমান চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। তুষারপাত ও দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় নিউ ইয়র্ক এলাকার তিনটি প্রধান বিমানবন্দরেই শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ মিলিয়ে প্রায় ৩০% ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। অনেক ফ্লাইটের সময় পরিবর্তন (উবষধু) করা হয়েছে। লাএঁধৎফরধ বিমানবন্দরে রানওয়েতে বরফ জমার কারণে সবচেয়ে বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। প্রায় ৪০-৪৫% ফ্লাইট বর্তমানে স্থগিত। নিউ জার্সিতে জরুরি অবস্থা চলায় এখানেও বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। ৩৫০-এর বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
তীব্র শীতকালীন তুষারঝড় ও বরফবৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর জনজীবন। তিন বছরের মধ্যে, সবচেয়ে বেশি তুষারপাতের কবলে পড়েছে নিউ ইয়র্কের বাসিন্দারা। বিশেষ করে নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি এবং কানেকটিকাটের বিস্তীর্ণ এলাকা কয়েক ইঞ্চি পুরু বরফের নিচে চাপা পড়ায় সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কায় লাখো মানুষকে চরম সতর্কতায় থাকতে বলেছে স্থানীয় প্রশাসন।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া বিভাগ (ঘডঝ) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া এই তুষারপাত শনিবার ভোর পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। নিউ ইয়র্ক এর পাওলিং ও ওলকট এলাকায় ইতোমধ্যে ৭ ইঞ্চি তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে। কানেকটিকাট ওয়াটারবারিতে তুষারের উচ্চতা পৌঁছেছে সাড়ে ৬ ইঞ্চিতে। এছাড়াও মিড-হাডসন ও লং আইল্যান্ড এলাকায় বরফের স্তর ১২ ইঞ্চি (১ ফুট) পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
নিউ ইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোচুল অঙ্গরাজ্যের অর্ধেকেরও বেশি এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। এই ঘোষণা নিউ ইয়র্ক সিটির পাঁচটি বরোসহ মোট ৩৬টি কাউন্টিতে কার্যকর থাকবে। গভর্নর জানিয়েছেন, উদ্ধারকারী দলগুলো নিরবিচ্ছিন্নভাবে বরফ সরানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, তবে তুষারপাত অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হচ্ছে।
এছাড়াও চলমান তুষারঝড়ের কারণে বিমান চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। তুষারপাত ও দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় নিউ ইয়র্ক এলাকার তিনটি প্রধান বিমানবন্দরেই শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ মিলিয়ে প্রায় ৩০% ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। অনেক ফ্লাইটের সময় পরিবর্তন (উবষধু) করা হয়েছে। লাএঁধৎফরধ বিমানবন্দরে রানওয়েতে বরফ জমার কারণে সবচেয়ে বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। প্রায় ৪০-৪৫% ফ্লাইট বর্তমানে স্থগিত। নিউ জার্সিতে জরুরি অবস্থা চলায় এখানেও বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। ৩৫০-এর বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।